শিরোনাম

Space for ads

কুষ্টিয়া মেডিকেলে শতভাগ নবীন শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বোনস বিতরণ

 প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৬:০৬ অপরাহ্ন   |   মেডিকেল ইন্সট্রুমেন্ট

কুষ্টিয়া মেডিকেলে শতভাগ নবীন শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বোনস বিতরণ
Space for ads
 
একাডেমিক সহযোগিতার অংশ হিসেবে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজে ১৫ তম ব্যাচের শতভাগ নবীন শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে এক বক্স করে মানবদেহের অস্থি (বোনস) বিতরণ করেছে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ বোনস ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল ১১টায় কলেজের বহুমুখী কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নবীন শিক্ষার্থীদের হাতে বোনস সেট তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান। বিশেষ অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. আনোয়ারুল কবির, কলেজের একাডেমিক সমন্বয়ক ডা. মো. আকরামুজ্জামান, ড্যাব কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. নাসিমুল বারি বাপ্পী এবং শিক্ষক সমিতির সদস্য সচিব ডা. এস এম খসরুজ্জামান। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পপুলার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ডা. মোস্তাফিজুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. শহিদুল ইসলাম।

এ সময় নবীন শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘মেডিকেলে ভর্তি হওয়ার পর বোনস সংগ্রহ করা নিয়ে বেশ দুশ্চিন্তায় ছিলাম। এই উদ্যোগ আমাদের আর্থিক চাপ কমানোর পাশাপাশি পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হতে সহায়তা করবে।’

আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সহায়তা এবং মানবিক মূল্যবোধের চর্চা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ বোনস ব্যাংকের সভাপতি সেলিম সাদমান শিমুল বলেন, ‘মেডিকেল শিক্ষার্থীদের বোনস সংগ্রহে উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় করতে হয়, যা অনেকের জন্য কষ্টসাধ্য। এ বাস্তবতা থেকে আমরা ১৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা সিনিয়রদের কাছ থেকে বোনস সংগ্রহ করে বোনস ব্যাংক কার্যক্রম শুরু করি। আজ সেই উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় আমরা শতভাগ নবীন শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যে বোনস তুলে দিতে সক্ষম হয়েছি।’

অধ্যাপক ডা. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ আজ একটি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। মেডিকেল শিক্ষার প্রাথমিক পর্যায়ে অ্যানাটমি বিষয় অধ্যয়নের জন্য বোনস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অনেক শিক্ষার্থী আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে তা সংগ্রহ করতে পারে না। সেই বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আমরা শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সম্মিলিত উদ্যোগে বোনস ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের সরকারি ও বেসরকারি অন্যান্য মেডিকেল কলেজও যদি এ উদ্যোগ গ্রহণ করে, তাহলে প্রতি বছর হাজারো শিক্ষার্থী উপকৃত হবে। একই সঙ্গে বোনসের অনিয়ন্ত্রিত বেচাকেনাও কমে আসবে।’


BBS cable ad