কুমিল্লা মেডিকেলের অধ্যক্ষের পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণার চেষ্টা, থানায় জিডি
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের (কুমেক) অধ্যক্ষ মির্জা মুহাম্মদ তাইয়েবুল ইসলামের পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণার চেষ্টার অভিযোগ উঠছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সতর্কীকরণে কুমিল্লা কোতয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তিনি।
জিডিতে তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘০১৩০৯৭৩৩৫৩৫ ও ০১৮২২৫৬৯৬২৭ মোবাইল নম্বর থেকে আমার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ছবি, নাম ও পদবী ব্যবহার করে আমার অফিসের কর্মকর্তাদের বিভিন্ন ভাবে হুমকি প্রদান করে বিকাশ ও ব্যাংক একাউন্ট এর তথ্য ও ওটিপি চাচ্ছে।’
কুমেক অধ্যক্ষ তাইয়েবুল ইসলাম মেডিভয়েসকে বলেন, ‘কেউ একজন আমার ছবি ও নাম ব্যবহার করে একটি হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট খুলে আমার সহকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। ওই নম্বর থেকে বিভিন্নজনকে ফোন করে আমার পরিচয় ব্যবহার করে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করা হয়েছে। বিষয়টি সহকর্মীদের সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তারা দ্রুত আমাকে জানায়।’
তিনি বলেন, ‘খবর পাওয়ার পরপরই আমি সহকর্মীদের বিভিন্ন গ্রুপে সতর্কবার্তা দিই, যাতে কেউ ওই নম্বরের কথায় বিভ্রান্ত না হন। একই সঙ্গে আমি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছি এবং জেলা পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) বিষয়টি অবহিত করেছি।’
অধ্যক্ষ জানান, ‘আমার কাছে যে তথ্য এসেছে, তাতে প্রতারকরা আমার পরিচয় ব্যবহার করে সহকর্মীদের কাছে ব্যাংক হিসাব, বিকাশ নম্বর ও ওটিপি চেয়েছে। হুমকির বিষয়ে যাঁদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা হয়েছে, তাঁরাই বিস্তারিত বলতে পারবেন। আমি আরও তথ্য সংগ্রহ করছি।’
তিনি আরও জানান, ‘এখন পর্যন্ত আমার জানা মতে, এ ঘটনায় কেউ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হননি। এছাড়া জিডির পর থেকে পুলিশ নিয়মিত আমার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে বলেও জানান তিনি।’
পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. সাইফুর রহমান খান মেডিভয়েসকে বলেন, ‘আমি এখনো জিডি কপিটা হাতে পাইনি। হাতে পেলে যোগাযোগ করবো।’
অধ্যক্ষ মির্জা মুহাম্মদ তাইয়েবুল ইসলাম (৫০) নেত্রকোনা জেলার মদন থানার মির্জা নুরুল ইসলাম ও মোমেনা ইসলামের সন্তান। তিনি বর্তমানে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী থানার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের রাজ মঙ্গলপুর গ্রামের বসবাস করছেন।




